ঢাকা বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট

৩৩তম বার্ষিক ‘ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট’।নতুন এই হোটেলটির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
মালদ্বীপে গত ২৭ সেপ্টেম্বর আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস এশিয়া, ওশেনিয়া ও ইন্ডিয়ান ওশান গালা সেরিমনি ২০২৬’-এ এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এই অনুষ্ঠানে এশিয়া, ওশেনিয়া ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ভ্রমণ, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো শিল্পের শ্রেষ্ঠত্ব উদযাপনের লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল।
১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস’ বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের শ্রেষ্ঠত্বকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাদের এই পুরস্কারকে “শিল্পের শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত মানদণ্ড” হিসেবে অভিহিত করা হয়। তাদের বার্ষিক আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটন গন্তব্য, এয়ারলাইনস, হোটেল, রিসোর্ট এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় পর্যটন সংস্থাগুলো একত্রিত হয়।
‘ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট’-এর জন্য এই অর্জন কেবল একটি হোটেলের স্বীকৃতিতেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের ক্রমবিকাশমান মান ও সম্ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ করে দেয়—যেখানে এই অঞ্চলের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ভ্রমণ ও আতিথেয়তা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও উপস্থিত থাকে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সন্নিকটে কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত ‘ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট’ ব্যবসায়িক ও অবকাশ যাপনকারী ভ্রমণকারীদের সেবা প্রদানের পাশাপাশি ঢাকার উদীয়মান বিমানবন্দর-কেন্দ্রিক আতিথেয়তা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
এই স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক মানের আতিথেয়তা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে হোটেলটির প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে এবং ব্যবসা, ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট’ এবং ‘ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা এয়ারপোর্ট’-এর ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বিনী নায়ার বলেন:
“এই স্বীকৃতি ‘ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট’-এর জন্য একটি গর্বের মাইলফলক হলেও এর গুরুত্ব আমাদের হোটেলের গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক বিস্তৃত। ভ্রমণ, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করাটা আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। আমরা বিশ্বাস করি, পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের আতিথেয়তা, গুণমান এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বেশি পরিচিত ও সমাদৃত করতে সহায়তা করে।”

আমাদের সাথে থাকুন