ঢাকা সোমবার, জুন ৮, ২০২৬

জীবন টা কাজের মাঝে যতটা সুন্দর কাটে ততটা সুন্দর আর কোথাও কাটে না

নাম তার নাজিম উদ্দিন। বয়সের ভার যাকে ভারি করে টলেনি। ৮৭ বছর বয়সী এই নাজিম উদ্দিন গাইবান্ধার থেকে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে এসেছেন ঢাকায়।এখন থাকেন গাজীপুরের সালনায়। জীবনের মানে খুজতে গিয়ে দেখেন ,জীবন টা কাজের মাঝে যতটা সুন্দর কাটে ততটা সুন্দর আর কোথাও কাটে না। ছয় মেয়ের জনক হয়ে তিনি দেখলে,।ছেলে আর মেয়ের মাঝে কোন এখন আর তফাত নেই।কিন্তু এর মাঝে ভুল যা তা তিনি ফেলেছেন।কিন্তু এর মধ্যেও তিনি অভিরাম ছুটে চলার নেশায় মত্ত।বাচ্চাদের খেলনা বিক্রি করে ছুটে চলেন বাসে -ট্রেনে। নাজিম উদ্দিনের সাথে কথা হয় উত্তরা ৫ নাম্বার সেক্টরে। শিশুদের খেলনা বিক্রিতে কিভাবে এলেন? শিশুদের হাসিদেখতে খুব ভাল লাগে।আমার মেয়েরা আমার খোজ নেয় এবং তাদের আমি খুব ভালবাসি। তাদের মধ্যে তিন জনকে আমি ম্যাট্রিক পাশ করিয়েছি।তারা আমাকে এখন কাজ করতে দিতে চায় না। কিন্তু আমি তো বসে থাকার মানুষ নি।তাই এই খেলনা বিক্রি করে নিজে আয় করি আর ভাল সময় কাটাই। যদিও আমার নিজের পুঁজি দিয়ে আমি আমার এই খেলনা বাবস্যা চালাই না। আমি কমিশনে এই কাজ করি। আমি যদি নিজের পুজিতে এটা করতে পারলে আমি আরো লাভবান হোতাম। আপনার জীবনের শেষ ইচছা কি? আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাজের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই। কারোর উপর নির্ভর করে আমি বাঁচতে চাই না,আর শিশুদের হাসি দেখতে আমার ভাল লাগে তাই এই খেলনা বেঁচেই আমি জীবন পার করতে চাই।

খেলনা বেঁচেই আমি জীবন পার করতে চাই।

নাম তার নাজিম উদ্দিন। বয়সের ভার যাকে ভারি করে টলেনি। ৮৭ বছর  বয়সী এই  নাজিম উদ্দিন গাইবান্ধার থেকে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে এসেছেন ঢাকায়।এখন থাকেন গাজীপুরের সালনায়।

জীবনের মানে খুজতে গিয়ে দেখেন ,জীবন টা কাজের মাঝে যতটা সুন্দর কাটে ততটা সুন্দর আর কোথাও কাটে না। ছয় মেয়ের জনক হয়ে তিনি দেখলে,।ছেলে আর মেয়ের মাঝে কোন এখন আর তফাত নেই।কিন্তু  এর মাঝে ভুল যা তা তিনি ফেলেছেন।কিন্তু এর মধ্যেও তিনি অভিরাম ছুটে চলার নেশায় মত্ত।বাচ্চাদের খেলনা বিক্রি করে ছুটে চলেন বাসে -ট্রেনে।

নাজিম উদ্দিনের সাথে কথা হয় উত্তরা ৫ নাম্বার সেক্টরে।

শিশুদের খেলনা বিক্রিতে কিভাবে এলেন?

শিশুদের হাসিদেখতে খুব ভাল লাগে।আমার মেয়েরা আমার খোজ নেয় এবং তাদের আমি খুব ভালবাসি। তাদের মধ্যে তিন জনকে আমি ম্যাট্রিক পাশ করিয়েছি।তারা আমাকে এখন কাজ করতে দিতে চায় না। কিন্তু আমি তো বসে থাকার মানুষ নি।তাই এই খেলনা বিক্রি করে নিজে আয় করি আর ভাল সময় কাটাই। যদিও আমার নিজের পুঁজি দিয়ে আমি আমার এই খেলনা বাবস্যা  চালাই না। আমি কমিশনে এই কাজ করি। আমি যদি নিজের পুজিতে এটা করতে পারলে আমি আরো  লাভবান হোতাম।

আপনার জীবনের শেষ ইচছা কি?

আমি মৃত্যুর  আগ পর্যন্ত কাজের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।

কারোর উপর নির্ভর করে আমি বাঁচতে চাই না,আর  শিশুদের হাসি দেখতে আমার ভাল লাগে তাই এই খেলনা বেঁচেই আমি জীবন পার করতে চাই।